Posts

রিটার্ন ফাইলিংয়ের জন্য ফি- যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (আরজে এসসি)

  রিটার্ন ফাইলিংয়ের জন্য ফি প্রাইভেট ও পাবলিক কোম্পানি (কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ অনুযায়ী) ক) রিটার্ন ফাইলিং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো ডকুমেন্ট ফাইলিং করতে ডকুমেন্ট ২০০ টাকা। ৩ বছর পর্যন্ত বিলম্বের ক্ষেত্রে প্রতিবছর বা উহার অংশবিশেষের জন্য ফিস ৫০০ টাকা। ৩ বছরের ঊর্ধ্বের ক্ষেত্রে প্রতি বছরের জন্য ফিস ৭০০ টাকা। খ) বন্ধক, ঋণস্বীকারপত্র ও চার্জসমূহ- জামানতের পরিমাণ (টাকা) ফি (টাকা) ৫,০০,০০০ পর্যন্ত ২৫০ ৫,০০,০০০ এর অধিক থেকে ৫০,০০,০০০ পর্যন্ত প্রতি ৫,০০,০০০ বার তার অংশের জন্য অতিরিক্ত ২০০ ৫০,০০,০০০ এর অধিক প্রতি ৫,০০,০০০ বা তার অংশের জন্য অতিরিক্ত ১০০   গ) বন্ধক ও চার্জের নিবন্ধন বহি পরিদর্শনের ফি = ২০০ টাকা। ঘ) রিসিভার নিয়োগ নিবন্ধনের ফি = ৪০০ টাকা।    বিদেশি কোম্পানি   ক) রিটার্ন ফাইলিং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো ডকুমেন্ট ফাইলিং করতে ডকুমেন্ট ৪০০ টাকা। বিলম্ব ফি নির্ধারিত সময়ের পর থেকে প্রতিদিন ২ টাকা করে (প্রতি ডকুমেন্টে ১০০০ টাকার বেশি না)। খ) বন্ধক, ঋণস্বীকারপত্র ও চার্জসমূহ- জামানতের পরিমাণ (টাকা) ফি (টাকা) ৫,০০,০০০ ...

স্ট্রাক অফ- যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (আরজে এসসি)

  স্ট্রাক অফ যখন কোনো কোম্পানি আর চলছে না বা বন্ধ হয়ে গিয়েছে এমনটা ধরে নেয়ার উপযুক্ত কারণ থাকে (যেমন- বার্ষিক রিটার্ন দীর্ঘদিন জমা হয়নি), তখন নিবন্ধক কোম্পানির কার্যক্রম অব্যহত আছে কিনা জানতে চেয়ে নোটিশ দেন (প্রথম নোটিশ)। যদি প্রথম নোটিশের ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে কোম্পানির কাছ থেকে কোনো উত্তর না পাওয়া যায়, তবে পরবর্তী ১৪ দিনের মধ্যে কোম্পানিকে দ্বিতীয় নোটিশ দেয়া হয়। দ্বিতীয় নোটিশে বলা থাকে যে, কোম্পানি যদি এই নোটিশের পরবর্তী ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে উত্তর না দেয়, তাহলে কোম্পানির নিবন্ধন বাতিল করা হবে এই মর্মে অফিসিয়াল গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। যদি কোম্পানি চলছে না বা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে এমন উত্তর পাওয়া যায় অথবা দ্বিতীয় নোটিশের ৩০ দিনের মধ্যে কোনো উত্তর পাওয়া না যায়, তখন নিবন্ধক তা সরকারি গেজেটে প্রকাশ করতে পারেন এবং কোম্পানিকে এই মর্মে নোটিশ পাঠান যে, নোটিশের দিন থেকে ৯০ দিন শেষ হয়ার পর অন্য কোন কারণ না থাকলে উল্লেখিত কোম্পানির নামের নিবন্ধন বাতিল করা হবে এবং কোম্পানিটি বিলুপ্ত বলে বিবেচিত হবে। এক্ষেত্রে সরকারি গেজেটে প্রকাশের জন্য যে নোটিশ পাঠানো হয় নিবন্ধক তার এ...

প্রতিষ্ঠান অবসায়ন (উইন্ডিং আপ) Winding Up , (Company/Partnership Winding Up)

  প্রতিষ্ঠান অবসায়ন (উইন্ডিং আপ) ১। উইন্ডিং আপের ধরন   একটি কোম্পানির উইন্ডিং আপ হতে পারে- আদালতের মাধ্যমে স্বেচ্ছায়   স্বেচ্ছায় উইন্ডিং আপের বিভাজন- সদস্যদের ইচ্ছায় উইন্ডিং আপঃ যেখানে দেনা প্রদানে সচ্ছলতার একটি ঘোষণাপত্র দিতে হয়। পাওনাদারদের (Creditor) ইচ্ছায় উইন্ডিং আপঃ যেখানে সচ্ছলতার ঘোষণাপত্র দিতে হয় না। আদালতের তত্তাবধনে উইন্ডিং আপঃ যেখানে কোম্পানি স্বেচ্ছায় উইন্ডিং আপের জন্য সিদ্ধান্ত নেয় এবং সদস্য বা পাওনাদারদের দায়েরকৃত পিটিশন বিবেচনায় আদালত এই মর্মে আদেশ জারি করেন যে, উইন্ডিং আপ প্রক্রিয়া আদালতের তত্তাবধনে চলবে।      ২। আদালতের মাধমে উইন্ডিং আপ কোম্পানি বা কোম্পানির এক বা একাধিক ক্রেডিটর বা নিবন্ধক আদালত কর্তৃক উইন্ডিং আপের জন্য আদালতে পিটিশন জমা দেন।           পিটিশন উপস্থাপনের সময় থেকে আদালত কর্তৃক কোম্পানির উইন্ডিং আপ প্রক্রিয়া আরম্ভ হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।              আবেদনকারী /কোম্পানি আদালতের আদেশর ত্...

প্রত্যায়িত অনুলিপি (সার্টিফাইড কপি) প্রদান- যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (আরজে এসসি)

  প্রত্যায়িত অনুলিপি (সার্টিফাইড কপি) প্রদান ক) আরজেএসসি হল বাংলাদেশ সরকারের একমাত্র কর্তৃপক্ষ যেখানে সকল নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান সমূহের (কোম্পানি, ট্রেড অর্গানাইজেশন, সোসাইটি ও পার্টনারশিপ ফার্ম) রেকর্ড সংরক্ষণ করা হয়। খ) কোন প্রতিষ্ঠানের রেকর্ডের প্রত্যায়িত অনুলিপির জন্য যেকেউ আবেদন করতে পারেন। গ) এমন আবেদনের প্রেক্ষিতে নির্ধারিত ফি পাওয়া সাপেক্ষে আরজেএসসি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সংরক্ষিত রেকর্ডের প্রত্যায়িত অনুলিপি প্রদান করে থাকে। ঘ) তবে লাভ ও ক্ষতির হিসাব শুধুমাত্র ঐ প্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছেই প্রকাশ করা হয়।   সার্টিফাইড কপির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এক বা একাধিক রেকর্ডের সার্টিফাইড কপির জন্য আবেদনপত্র।   যেসব ডকুমেন্টের জন্য সার্টিফাইড কপি প্রদান করা হয়-   প্রাইভেট কোম্পানি (কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ অনুযায়ী)   ক) অনন্য রেকর্ড অনুসারে চিহ্নিত- আর্টিকেল অব এসোসিয়েশন বা এর খন্ডিত অংশ, আর্টিকেল অব মেমোরেন্ডাম বা এর খন্ডিত অংশ, নিবন্ধন পত্র, কোম্পানি নিবন্ধনের ঘোষণাপত্র, পরিচালক হতে সম্মত ব্যক্তিদের তাল...

প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন- যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (আরজে এসসি)

  প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন উদ্যোক্তাগণ নতুন প্রতিষ্ঠানের নামের ছাড়পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) নিয়ে নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও ফি সহ নির্ধারিত আবেদন ফর্মের মাধ্যমে আবেদন করবেন। উদ্যোক্তাগণকে যা করতে হবে-   আরজেএসসি’র নির্ধারিত ফরমেটে প্রতিষ্ঠানের যথাযথ মোমোরেন্ডাম/আর্টিকেল অব এসোসিয়েশন তৈরী, আরজেএসসি’র ওয়েব সাইটে গিয়ে অনলাইনে নিবন্ধনের জন্য আবেদন, নিবন্ধনের জন্য নির্ধারিত ফি, নির্ধারিত ব্যাংক এ জমা দেয়া।   আরজেএসসি এই শর্তে নিবন্ধন পত্র প্রদান করে যে উদ্যোক্তাগণ-   নিবন্ধনের আগে নামের ছাড়পত্র পেয়েছে্ন, ছাড়পত্র আবেদনের মেয়াদের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছেন, নির্ধারিত ফরমেটে কোম্পানির মোমোরেন্ডাম/আর্টিকেল অব এসোসিয়েশন আবেদনের সাথে জমা দিয়েছেন, প্রয়োজনীয় নিবন্ধন ফি জমা দিয়েছেন।   কোম্পানি নিবন্ধনের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া - লিংক- http://app.roc.gov.bd:7781 এ প্রবেশ করুন। এবার Apply for Registration এ ক্লিক করুন। এবার কোম্পানির ধরন চিহ্নিত করুন। এবার আপনার কোম্পানির নামের ছাড়পত্রের আবেদন নম্বর (Submission no.) এবং ছাড়পত্র নম্বর (NC ...

নামের ছাড়পত্র- যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (আরজে এসসি)

  নামের ছাড়পত্র কোন প্রতিষ্ঠান নিবন্ধনের এটি হলো প্রথম ধাপ। যে প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন করতে হবে সেই প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবিত নামে পূর্বে কোন প্রতিষ্ঠান নিবন্ধিত হয়েছে কিনা তা খুজে দেখাই এর উদ্দেশ্য, যাতে কিনা একই নামে একাধিক প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন না হয়। নামের ছাড়পত্র হলো প্রতিষ্ঠান নিবন্ধনের একটি অপরিহার্য ডকুমেন্ট। উদ্যোক্তাগণকে নতুন কোন প্রতিষ্ঠানের (বিদেশি কোম্পানি ব্যতীত) নিবন্ধনের পূর্বে ঐ প্রতিষ্ঠানের নামের ছাড়পত্র নিতে আরজেএসসি বরাবর আবেদন করতে হয়। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে(লিংক http://app.roc.gov.bd:7781) নির্ধারিত আরজেএসসি অফিসে ছাড়পত্র আবেদন পাঠাতে হয়। আবেদনপত্রটি আরজেএসসি’র নিবন্ধক বরাবর পাঠাতে হয়। নামের ছাড়পত্রের জন্য নির্ধারিত ফি নির্ধারিত ব্যাংক এ জমা দিতে হয়। ছাড়পত্র আবেদন ও নির্ধারিত ফি পাওয়ার পর ইতোমধ্যে নিবন্ধিত, ছাড়পত্রপ্রাপ্ত বা আবেদনকৃত কোন নামের সাথে মিলে না যায় বা অনুরূপ না হয় এমন শর্ত বিবেচনায় আরজেএসসি প্রস্তাবিত    More Read: নামের ছাড়পত্র- যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (আরজে এসসি) কোম্পানি বিষয়ক যে কোন প্রয়োজনে আমাদের সাথে ...

রিটার্ন ফাইলিং - যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (আরজে এসসি)

  রিটার্ন ফাইলিং ক) নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান সমূহকে তাদের ব্যাবস্থাপনা ও পরিচালনের হালনাগাদ তথ্য সংবলিত প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র আরজেএসসির কাছে নির্ধারিত ফরমে ও সময়ে পাঠাতে হয়। খ) দুই ধরনের রিটার্ন ফাইলিং রয়েছে। (i) বার্ষিক রিটার্ন ফাইলিং ও (ii) কোনো পরিবর্তনের জন্য রিটার্ন ফাইলিং। গ) প্রতিষ্ঠান সমূহ রিটার্ন পাঠায় আরজেএসসিতে সংরক্ষণের (ফাইলিং) জন্য। ঘ) রিটার্ন ফাইলিং ও বিলম্ব রিটার্ন ফাইলিংয়ের (যদি প্রযোজ্য হয়) জন্য নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হয়। ঙ) আরজেএসসি রিটার্ন সমূহকে যাচাই করে। চ) যদি কোনো প্রতিষ্ঠান অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য প্রদান করে তবে আরজেএসসি তা সংশোধনের জন্য তাদেরকে জানায়। ছ) শুধুমাত্র অনুমোদিত রিটার্ন সমূহকে আরজেএসসি সংরক্ষণ করে।   যেসব রিটার্ন জমা দিতে হয়-   প্রাইভেট কোম্পানি (কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ অনুযায়ী) প্রাইভেট কোম্পানি গুলোকে প্রতি বছর নিন্মউক্ত রিটার্ন সমূহ ফাইলিং এর জন্য পাঠাতে হয়।   ক) বার্ষিক রিটার্ন শিডিউল X- শেয়ার মূলধনের বার্ষিক সারসংক্ষেপ, শেয়ারহোল্ডার ও পরিচালকদের তালিকা। বার্ষিক সাধারণ সভার ২১ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে [অনুচ্ছেদ ৩৬]...